জুতা এখন মানুষ প্রয়োজনের জন্য পরেনা, এটি এখন মানুষের ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। মানুষ এখন জুতা কেনার আগে অনেক বিষয় মাথায় রেখে তবেই জুতা কিনে। এখন আপনি কেমন ধরনের জুতা কিনবেন, সেটি নির্ভর করবে বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর। তাই আজ Feeglee.com এর পাঠকদের জন্য নিয়ে এলাম জুতা কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন।

অ্যাঙ্কেল-স্ট্যাপ স্যান্ডেলঃ-
এ ধরনের স্যান্ডেল পায়ের গোড়ালিতে ফিতা দিয়ে সংযুক্ত করা থাকে। এসব জুতা বিভিন্ন রং ও ডিজাইনের হয়ে থাকে। অনেক বড় বড় তারকাকেই এ ধরনের স্যান্ডেল পরতে দেখা যায়। এসব জুতা আপনি বহু ধরনের পোশাকের সঙ্গেই পরতে পারবেন।

উইজেসঃ-
উইজেস সাধারণত উচু হিলের হয়ে থাকে। এটি ত্তাদের জন্যই আদর্শ যারা উঁচু হিল পছন্দ করেন। এই টাইপের জুতাতে হিল থাকলেও তা খুব সহজে উল্টে যায় না। এই ধরনের জুতার সাথে দারুণ স্টাইলও করা যায়, সেমি ফর্মাল টপ, স্কার্ট ও বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সঙ্গে পরা যায়।

বুটসঃ-
আপনি যদি এজি ও ক্লাসি স্টাইলের লুক পছন্দ করেন তবে আপনি বুট ব্যবহার করতে পারেন। জিনস ও স্কার্টের সঙ্গে এটি ভালো মানিয়ে যায়। বুট বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। অ্যাঙ্কেল বুট, ফ্ল্যাট বুট, কিংবা ওভার-দ্য-নি বুট এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। বেশি ঠাণ্ডা আবহাওয়া না হওয়ায় ফোমের আচ্ছাদন দেওয়া গরম বুট বাংলাদেশে পরা কষ্টকর।

স্নিকার্সঃ-
একজোড়া সাদা কিংবা কালো স্নিকার্স ফ্যাশনসচেতন ব্যক্তিদের জন্য হতে পারে আদর্শ ফ্যাশন। স্নিকার্স যেকোনো পোশাকের সঙ্গে পরা যায়। তাই তরুণ প্রজন্মের কাছে স্নিকার্সের বেশ গুরুত্ব রয়েছে। ফ্যশন সচেতনদের কাছে এটি একটি আকর্শনীয় জুতা।

লোফার্সঃ-
বাজারে বিভিন্ন ধরনের লোফার্স পাওয়া যায়। অত্যন্ত ফ্যাশনেবল হয়ে থাকে লোফার্স। এমব্রয়ডারি, প্রিন্ট কিংবা ট্যাসেলসেরও লোফার্স হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের সোলও থাকে লোফার্সের জুতাতে। আপনার পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী বাজার থেকে বেছে নিলেই হলো।

পাম্পসঃ-
সাধারণত পাম্পসকে আরামদায়ক জুতার জন্য বেস্ট মানা হয়। পাম্পস জুতা দারুণ লুকও দিতে পারে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের পাম্পসের বেশ ফ্যাশনেবল মডেল পাবেন আপনি। পোশাকের সঙ্গে যদি আপনি মানানসই পাম্পস বেছে নিতে পারেন তাহলে তা আপনাকে বাড়তি ফ্যাশনেবল লুক এনে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *