প্রতিটি যুবক ও তরুণের মধ্যে বাইকের প্রতি একটা অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে, আপনি বাইক চালান অথবা না চালান। যাদের সামর্থ আছে তারা অনায়াসে একটি বাইক কিনতে পারে কিন্তু যাদের সামর্থ নেই তারা অনেক কষ্টে অল্প অল্প করে জমিয়ে তার স্বপ্নের বাইকটি কিনে। কিন্তু কেনার পরে যদি দেখে বাইকটি ভালো সার্ভিস দিচ্ছেনা তখন কষ্টের আর সীমা থাকেনা। এজন্য বাইক কেনার আগে বাইক সম্ভন্ধে সব খুটি নাটি জেনেই বাইক কেনা উচিৎ। এজন্য আজ আমরা Feeglee.com এর পাঠক দের জন্য নিয়ে এলাম বাইক বা মোটরসাইকেল কেনার আগে বিবেচ্য বিষয় গুলো সম্পর্কে। তবে চলুন জেনে নেয়া যাক।

বাজেটঃ-
একটি বাইক কেনার আগে  প্রথমেই দেখে নিতে হবে বাইক কেনার জন্য আপনার বাজেট টা কেমন। বাজেটের উপর নির্ভর করছে আপনার কেমন বাইক কেনা উচিৎ। আপনার বাজেট যদি বেশি থাকে তাহলে আপনি অনায়সে বাজারের সেরা বাইক গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি কিনে নিতে পারেন। কিন্ত আপনার বাজেট যদি হয় মাঝারি বা ছোট আকারের সেক্ষেত্রে আপনাকে অনেক যাচাই বাচাই করে সব বিষয় গুলো সম্পর্কে অবগত হয়েই পরে বাইক কেনা উচিত।

সার্ভিস খরচঃ-
বাইকের পার্টস ও রক্ষনাবেক্ষনের জন্য বড় একটি এমাউন্ট খরচ হয় প্রতি মাসে। যেটি বাইক কেনার পুর্বে অনেকেই মাথায় রাখেনা, এই খরচ গুলোর মধ্যে রয়েছে পেট্রোল খরচ, মোবিল খরচ, টায়ারের সার্ভিসিং, স্পার্ক প্লাগ, বেল্ট, ইঞ্জিনের তেল, ফিল্টার, বাইক ওয়াশ ইত্যাদি। যদি আপনি প্রতিনিয়ত সার্ভিসিং না করান তাহলে আপনার বাইকটি থেকে আপনি প্রত্যাশিত সার্ভিস পাবেন না।

আইনি খরচঃ-
আপনার পছন্দের মোটরসাইকেলটি কিনতে যাওয়ার আগে কিছু আবশ্যক আইনি খরচের হিসাব বিবেচনায় রাখবেন। রেজিস্ট্রেশন একটি এক-কালীন খরচ যা বেশ মোটা অঙ্কের। তারপর আরও কিছু আনুষাঙ্গিক খরচ আসে যেমন ধরুন ইনস্যুরেন্স। আর যদি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে তবে সেটিও করে নিতে হবে এসব আপনাকে করতেই হবে নইলে আপনার বাইকটি অবৈধভাবে গন্য করা হবে। এজন্য জরুরী খরচ হলেও এই আইনগত খরচগুলো করতেই হবে।

ইঞ্জিন ওয়েলঃ-
আপনার বাইকটির ভালো পারফর্ম্যান্স পাওয়ার জন্য কিছু মাস পর পর ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতে হবে। নয়তো আপনার আপনার বাইকের ইঞ্জিনেমারাত্মক সমস্যা দিতে পারে। ইঞ্জিন ওয়েলের ক্ষেত্রে অবশ্যই এটি মাথায় রাখবেন আপনার ইঞ্জিনের গ্রেডের সাথে মিল রেখেই ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতে হবে। সেক্ষেত্রেই আপনি ভালো পারফর্ম পাবেন আপনার বাইকটি থেকে।


বাইক/মোটরসাইকেল সাইজঃ-
মোটরসাইকেল কেনার আগে আরেকটি বিষয় যেটি বিবেচয়নায় রাখতে হবে সেটি হলো বাইকের ওজন এটি খুবই গুরুত্বপুর্ন এর কারন হলো আপনার উচ্চতার সাথে বাইকের সাইজ সমম্বয় করেই আপনাকে বাইক কিনতে হবে নতুবা বাইকটি চালাতে আপনাকে যথেষ্ঠ সমস্যায় পরতে হবে। এজন্য বাইক কেনার আগে বাইকের সাইজ জেনে কেনা অবশ্যই গুরুত্বপুর্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *