আমাদের দেশের ঐতিহ্য গুলোর মধ্যে জামদানি শাড়ি অন্যতম। সব মেয়েদের জামদানির প্রতি একটি অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। আবার অনেকে জামদানির গুণাবলি না জানার কারনে নকল জামদানি কিনে প্রতারিত হয়ে থাকে। এজন্য আজ Feeglee.com এর পাঠকদের জন্য নিয়ে এলাম জামদানি শাড়ি চেনার উপায়, যেভাবে চিনবেন জামদানি শাড়ি।

সুতাঃ-
জামদানি শাড়ি চেনার অন্যতম প্রধান বস্তুটি হলো সুতা। সুতা ও মশ্রিনতা দেখেই নির্ধারন করা হয় জামদানির মান। দুই ধরনের সুতা দিয়ে বানানো হয় জামদানি শাড়ি। যেমনঃ-
১) সুতির সুতা
২) সিল্ক সুতা

যেভাবে চিনবেনঃ-
জামদানি শাড়ি চেনার একটি গুরুত্বপুর্ন উপায় আছে সেটি হলো জামদানির সুতা। সাধারণত জামদানি বোনা হয় ৭০-৮০ কাউন্টের সুতা দিয়ে। বেশিরভাগ জামদানি সিল্ক সুতার পরিবর্তে লাইলন সুতা বা পলেস্টার সুতা দিয়ে তৈরি করা হয়। যেটা আপনি সহজে চেষ্টা করলেই চিনতে পারবেন।

যেভাবে পরিক্ষা করবেনঃ-
আপনি যেটা করবেন সেটি হলো জামদানির সুতার কিছু অংশ হাতে নিবেন এরপর আপনি সেটা ছেড়ার চেষ্টা করবেন। যদি সুতাটি ছিড়ে যায় তবে বুজবেন সেটা পিউর সিল্ক। আর আগুনে পোড়ালে সিল্ক থেকে চুলের পোড়া গন্ধ আসবে।

জামদানি কেনার আগের সতর্কতাঃ-
শাড়ি কেনার পুর্বে কিছু সতর্কতা আছে যা আপনি মেনে কিনলে আপনি ঠকবেন না। যেমনঃ-
১) জামদানির শাড়ির প্রস্থ হতে হবে (৪৫ ইঞ্চি)
২) জামদানির সুতার মান হতে হবে উন্নত মানের
৩) জামদানি শারির দৈর্ঘ হতে হবে ( ১২ হাত বা ১৮ ফুট)

জামদানি কত প্রকারঃ-
জামদানি শাড়ি অনেক প্রকারের হয়ে থাকে, তবে প্রধানত উপাদান অনুসারে জামদানি স্বাধারনত ২ প্রকারের হয়ে থাকে।
১) হাফ সিল্ক জামদানি শাড়ি— এর লম্বালম্বি সুতা গুলো হয় তুলার, আর আড়াআড়ি সুতা গুলো হয় রেশমের।
২) ফুল সিল্ক জামদানি শাড়ি— এটি সম্পুর্ন তুলার সুতা দিয়েই তৈরী করা হয়।

জামদানির নকশাঃ-
জামদানি শাড়ির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট হলো এর নকশা। বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে জামদানির নকশা। দেখে নেয়া যাক অতি পরিচিত কিছু নকশা।

১) জলপাড়
২) জবাফুল
৩) করোলা
৪) তেরছা
৫) পান্না হাজার
৬) বলিহার
৭) ময়ূরপাখা
8) দুবলাজাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *